প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু করবে সরকার। নতুন শিক্ষাক্রমে পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য ও প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য ২০২৭ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষাক্রম প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নতুন শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন একটি শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেখানে শুধু পুঁথিগত বিদ্যার মধ্যে শিক্ষা সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক বিকাশ, খেলাধুলা এবং বাস্তব জীবনের দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রমকে মূল শিক্ষার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও সামাজিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মাহ্দী আমিন। তিনি জানান, ভবিষ্যতের কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার পরিধি বাড়ানো হবে এবং এ শিক্ষাকে আরও কার্যকরভাবে মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।