প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৫
কিশমিশ–পানি কী
রোদে
শুকানো আঙুরই মূলত কিশমিশ। এতে
পুষ্টি উপাদান ঘনীভূত থাকে বলে একে
আপনি ‘পাওয়ার হাউস’ বলতে পারেন। কিশমিশ
পানিতে কয়েক ঘণ্টা বা সারা রাত
ভিজিয়ে রাখলে তৈরি হয় কিশমিশ–পানি। এই পুষ্টিসমৃদ্ধ পানীয়
সামগ্রিক সুস্থতার জন্য উপকারী।
কিশমিশ–পানি কেন স্বাস্থ্যকর
কিশমিশ
ভেজানো পানি বেশ কিছু
প্রয়োজনীয় ভিটামিনে সমৃদ্ধ। এতে ভিটামিন সি
ও বিশেষ ধরনের বি ভিটামিন (যেমন
বি৬ ও নিয়াসিন) থাকে।
এ ছাড়া কিশমিশ পটাশিয়াম,
ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো
খনিজের উৎস। কিশমিশে শক্তিশালী
অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে
ফেনোলিক যৌগ ও ফ্ল্যাভোনয়েড,
যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।
কিশমিশ–পানির ৬ উপকারিতা
* কিশমিশ–পানি প্রাকৃতিক শর্করা
ও কার্বোহাইড্রেট–সমৃদ্ধ, যা দ্রুত শক্তি
বৃদ্ধি করে।
* কিশমিশ–পানিতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার
বা আঁশ হজমে সহায়ক।
পানিতে ভিজিয়ে রাখলে কিশমিশের আঁশীয় উপাদান বৃদ্ধি পায়, যা কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে
সাহায্য করে।
* কিশমিশ-পানিতে থাকা অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট
ত্বকে বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া
ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে
সাহায্য করে, ত্বকের স্থিতিস্থাপকতার
জন্য যা অপরিহার্য।
* ডিটক্সিফিকেশনে
সাহায্য করে। কিশমিশ–পানিতে
প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা যকৃৎ ভালো
রাখে।
* কিশমিশের
পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। কিশমিশ-পানি হৃৎ–স্বাস্থ্য
ভালো রাখে।
* এই পানীয় হাড়ের জন্য উপকারী। কিশমিশ ক্যালসিয়াম ও বোরনের ভালো উৎস, দুটিই শক্তিশালী হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয়।
যেভাবে তৈরি করবেন কিশমিশ–পানি
কাপের
চার ভাগের এক ভাগ কিশমিশ
ভালোভাবে ধুয়ে এক গ্লাস পানিতে
সারা রাত বা কমপক্ষে
ছয়-আট ঘণ্টা ভিজিয়ে
রাখুন। সকালে কিশমিশ আলাদা করে পানিটুকু খালি
পেটে খেয়ে নিন। মধু
পানি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে কিশমিশ পানির সঙ্গে কিছুটা মধু মিশিয়ে নিতে
পারেন। অতিরিক্ত আঁশ ও পুষ্টির
জন্য ভেজানো কিশমিশও খেতে পারেন। চাইলে
কিশমিশ-পানিতে চিয়া সিডও মেশাতে পারেন।
সূত্র:
টাইমস অব ইন্ডিয়া