প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত:
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
শেয়ার করুনঃ
অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থায় শিক্ষার্থী ভিসা, ট্রেনিং ভিসা এবং রিজিওনাল স্পনসরশিপসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নতুন পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দেশটির সরকার অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও কঠোর নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনতে এসব পদক্ষেপ নিয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের পর প্রশাসনিক পুনর্বিবেচনা ট্রাইব্যুনাল (ART)-এ আপিল প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি শুনানির পরিবর্তে জমাকৃত নথিপত্রের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত দেওয়া হতে পারে। এতে আপিল নিষ্পত্তির সময় কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ৪০৭ ট্রেনিং ভিসা ব্যবস্থায় স্পনসর প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বিভিন্ন কর্মস্থল পরিদর্শন করে নিশ্চিত করছেন যে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না।
রিজিওনাল বা আঞ্চলিক স্পনসরশিপ ভিসা (সাবক্লাস ৪৮২ ও ৪৯৪)-এও পরিবর্তন আসছে। আগামী জুলাই থেকে ন্যূনতম বার্ষিক বেতন প্রায় ৮০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলারে উন্নীত করা হতে পারে। এতে বিশেষ করে ছোট ব্যবসা ও রেস্তোরাঁ খাতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।
এছাড়া ট্রেড রিকগনিশন অস্ট্রেলিয়ার (TRA) স্কিল অ্যাসেসমেন্ট প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হলেও আবেদন সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সময় লাগছে প্রায় চার মাস পর্যন্ত।
আগামী অর্থবছরে ‘কন্ট্রিবিউটিং প্যারেন্ট ভিসা’-এর জন্য ৬ হাজার ৮০০টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পরিবর্তন অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও নিয়ন্ত্রিত ও দক্ষ প্রার্থীকেন্দ্রিক করার অংশ। যদিও শুরুতে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করবে।