Logo
ঢাকা রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
Logo

সিরিয়ায় তুর্কিপন্থি ও কুর্দি যোদ্ধাদের ব্যাপক সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫

শেয়ার করুনঃ
সিরিয়ায় তুর্কিপন্থি ও কুর্দি যোদ্ধাদের ব্যাপক সংঘর্ষ

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুরস্ক-সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠী ও কুর্দি বাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ে শতাধিক যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। 

গত দুই দিনে দেশটির উত্তরাঞ্চলে সংঘাতে এই যোদ্ধারা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।

রোববার (৫ জানুয়ারি) সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, সিরিয়ার মানবিজ শহরের আশপাশের কয়েকটি গ্রামে গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১০১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তুরস্ক-সমর্থিত গোষ্ঠীর ৮৫ সদস্য ও কুর্দি-সংখ্যাগরিষ্ঠ সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) ১৬ সদস্য রয়েছেন।

এক বিবৃতিতে এসডিএফ বলেছে, তারা তুরস্কের ভাড়াটে সৈন্যদের তুর্কি ড্রোন ও বিমান ব্যবহার করে চালানো সব হামলা প্রতিহত করেছে। গত ২৭ নভেম্বর ইসলামপন্থি বিদ্রোহীদের নেতৃত্বাধীন অভিযান শুরুর মাত্র ১১ দিনের মাথায় ৮ ডিসেম্বর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতন ঘটে।

আসাদের পতনের পরপরই উত্তর সিরিয়ায় তুর্কি-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো আবারও এসডিএফের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তুরস্ক-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো এসডিএফের কাছ থেকে উত্তর আলেপ্পো প্রদেশের মানবিজ ও তাল রিফাত শহরের দখল নিয়ে নেয়। তখন থেকে উত্তর সিরিয়ায় প্রায় প্রতিদিনই সংঘর্ষ চলছে। এতে উভয়পক্ষের ব্যাপক হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।

সিরিয়ান অবজারভেটরির প্রধান রামি আবদেল রহমান বলেছেন, তুর্কি-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো রাক্কায় যাওয়ার আগে কোবানে ও তাবকা শহরের দখল নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এসডিএফ সিরিয়ার উত্তর-পূর্বের বিস্তীর্ণ এলাকা ও পূর্বে দেইর ইজোর প্রদেশের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। সিরিয়ায় ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধের শুরুর সময় ওই অঞ্চল থেকে সরকারি বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। পরে কুর্দিরা সেখানে স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করে।

মার্কিন সমর্থন পাওয়া এসডিএফ বর্তমানে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কাছ থেকে দখল ছিনিয়ে নেওয়ার পর রাক্কাসহ ওই অঞ্চলের বেশিরভাগের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। আঙ্কারা এসডিএফকে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) অনুসারী বলে মনে করে; যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে এক দশক ধরে বিদ্রোহ করছে। তুরস্কের সরকার এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

পিকেকে যোদ্ধাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তুরস্কের সামরিক বাহিনী প্রায়ই সিরিয়া ও প্রতিবেশী ইরাকে কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে হামলা করছে।

এর আগে, সিরিয়ার ডি-ফ্যাক্টো সরকারের নতুন নেতা ও ইসলামপন্থি গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) প্রধান আহমেদ আল-শারা বলেছেন, এসডিএফকে দেশের সেনাবাহিনীতে একীভূত করা হবে। গত মাসে এইচটিএসের নেতৃত্বে হওয়া বিদ্রোহে আসাদ সরকারের পতন ঘটে।


Campus Mirror
শেয়ার করুনঃ

এই বিভাগের আরোও খবর

  • দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ঢাকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
    দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ঢাকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম
    বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম
  • ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র–সৌদির হামলায় নিহত ২০
    ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র–সৌদির হামলায় নিহত ২০
  • ককরোচ-কামড়ে নতিস্বীকার মোদীর, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
    ককরোচ-কামড়ে নতিস্বীকার মোদীর, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
  • ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন ওয়াংচুক
    ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন ওয়াংচুক
  • মধ্যরাতে লাইভে এসে পুরোনো প্রতিশ্রুতিই দিলেন মোদি
    মধ্যরাতে লাইভে এসে পুরোনো প্রতিশ্রুতিই দিলেন মোদি
  • দিল্লির বিক্ষোভ থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা আটক, পরিস্থিতি উত্তপ্ত
    দিল্লির বিক্ষোভ থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা আটক, পরিস্থিতি উত্তপ্ত
  • জন্তরমন্তর থেকে সংসদের পথে ককরোচ
    জন্তরমন্তর থেকে সংসদের পথে ককরোচ
  • যুদ্ধবাজ মার্কিন সেনেটর গ্রাহামের মৃত্যুতে ইরানের উল্লাস
    যুদ্ধবাজ মার্কিন সেনেটর গ্রাহামের মৃত্যুতে ইরানের উল্লাস
  • ইরানি ট্রল আর্মির অন্দরে
    ইরানি ট্রল আর্মির অন্দরে
Logo