Logo
ঢাকা রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
Logo

শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হতে ফোনে ছাত্রলীগকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের

প্রতিবেদক, ক্যাম্পাস মিরর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

শেয়ার করুনঃ
শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হতে ফোনে ছাত্রলীগকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের


বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের দমন করতে পুলিশের পাশাপাশি ছাত্রলীগকে কেন চড়াও হচ্ছে না সেজন্য ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ সংক্রান্ত একটি ফোনালাপের রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।


বৃহস্পতিবার ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দ্বিতীয় দিনে এই কল রেকর্ড জমা দেওয়া হয়। পরে তা ট্রাইব্যুনালে বাজিয়ে শোনানো হয়।


কল রেকর্ডে শোনা যায়, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করে বলেন, ‘আমাদের সমাবেশ মাত্র শেষ করলাম। আর ওদের প্রোগ্রাম চলতেছে। তিন হাজারের মতো স্টুডেন্ট আছে। তারা সাড়ে ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করবে। সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি মনে হয় ঘোষণা করবে। এই দুই দিন জনসংযোগ করবে। এরপর তারা আলটিমেটাম দেবে।’ কাদের জানতে চান, ‘কে?’ জবাবে সাদ্দাম বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা।’ তখন কাদের বলেন, ‘পেটাও না কেন? মারো না কেন ওদের? চড়াও হতে দেও কেন ওদের? সুযোগ দাও কেন? তোমরা বললে, আজকে থেকে হালকা হয়ে যাবে। কই হালকা হলো?’


সাদ্দাম জবাবে বলেন, ‘জামায়াত আজকে বেশি ছিল।’ কাদের বলেন, ‘তাহলে কী বললা তোমরা? বাস্তবে কী হচ্ছে? জামায়াত মানে? এখানে জামায়াত আর বিএনপি যোগ হইছে। এটার কিছু করার নেই?’ সাদ্দাম বলেন, ‘আমরা সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করতে পারব। আমরা যদি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হয়, তাহলে আমরা সেটা করতে পারব। কিন্তু শাহবাগের দিকে যেতে তো আমাদের নিষেধ করল। বারবার ফোন দিয়ে বলল যে, শাহবাগের দিকে, অন্যদিকে আমরা যেন না যাই। মানে, ওদের মুখোমুখি যেন না হই। এটাই তো বারবার বলতেছিল।’


কাদের জানতে চান, ‘কে বলেছে?’ সাদ্দাম জবাবে বলেন, ‘ফোন দিয়েছিল সবাই। আমাদের পুলিশ প্লাস বিপ্লব দাও যোগাযোগ করেছিল।’ কাদের বলেন, ‘বিপ্লবের তো এটা বলার কথা না।’ তখন সাদ্দাম বলেন, ‘পুলিশই যোগাযোগ করতেছিল। মুখোমুখি হতে না করেছে।’


শুনানি শেষে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সাংবাদিকদের বলেন, ২০২৪ সালের ১১ জুলাইয়ের ওই কথোপকথনের রেকর্ডটি সিআইডির মাধ্যমে ফরেনসিক করে ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধীনস্থ কাউকে ‘পেটাও না কেন ওদের, মারো না কেন, বাড়তে দাও কেন’—এই ধরনের নির্দেশ দেওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে স্পষ্টত উসকানি দেওয়ার অপরাধ।


Campus Mirror
শেয়ার করুনঃ

এই বিভাগের আরোও খবর

  • শিক্ষক সংকট কমাতে খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গড়বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
    শিক্ষক সংকট কমাতে খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গড়বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা বিতরণ শুরু
    বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা বিতরণ শুরু
  • শিক্ষকদের পেনশন পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
    শিক্ষকদের পেনশন পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
  • এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, জানা যাবে যেভাবে
    এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, জানা যাবে যেভাবে
  • র‍্যাব গিয়ে আসছে এসআরবি
    র‍্যাব গিয়ে আসছে এসআরবি
  • দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ঢাকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
    দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ঢাকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
  • গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
    গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
  • তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
    তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
  • ঢাবিতে ভর্তি আবেদন ১১ নভেম্বর থেকে, পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর
    ঢাবিতে ভর্তি আবেদন ১১ নভেম্বর থেকে, পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর
  • প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
    প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
Logo